জঙ্গি অর্থায়নে কর্নেল শহীদের সম্পৃক্ততা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্নেল শহীদ উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নসহ বেশকিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরেুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচা, প্রতারণা ও অর্থ পাচারের একাধিক মামালা রয়েছে।

বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত শহীদ উদ্দিন খান বৃটেনে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির একজন দাতাও।

ইংল্যান্ডের জাতীয় দৈনিক দ্য সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ত্র ব্যবসা ও জঙ্গিবাদ সংক্রান্ত মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি শহীদ উদ্দিন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ইংল্যান্ডের টোরি পার্টির ফান্ডে ২০ হাজার পাউন্ড অনুদান দিয়েছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার ঢাকার বাসায় অভিযান চালিয়ে জিহাদি বই, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি দেশে জেলের মুখোমুখি রয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকে বৃটেনের রাজধানী লন্ডনে বসবাস করছেন তিনি। সেখানে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের বসবাস নিশ্চিত করতে কিনেছেন মাল্টি মিলিয়ন পাউন্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’।

বাংলাদেশ পুলিশ বলছে, শহিদ উদ্দিন খানের ঢাকার বাড়িতে তারা বিস্ফোরক, অস্ত্র, আল কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উগ্রবাদী বইপত্র এবং বাংলাদেশি ভুয়া মুদ্রার সন্ধান পেয়েছে। তারা আরো বলেছে, শহিদ উদ্দিনের নামে ৫৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। এ বিষয়টিও পুলিশ উদ্ঘাটন করেছে। এসব অ্যাকাউন্ট অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিষয়টি প্রমাণ করে।

তবে শহীদ উদ্দিনের দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। শহীদ উদ্দিন বাংলাদেশ সরকারকে স্বৈরচারী, অপহরণকারী এবং দুর্নীতিপরায়ণ বলেও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করেছেন। সেই সঙ্গে জঙ্গি অর্থায়ন করার মতো অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।